
শ্রী শ্রী আনন্দময়ী শ্যামঠাকুরাণী মন্দিরে সারা বছর বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আসন্ন পূজা, বিশেষ অনুষ্ঠান ও বিস্তারিত কর্মসূচি জানতে আমাদের অনুষ্ঠান পেজটি দেখুন।

🌿 আনন্দময়ী শ্যামাঠাকুরাণী মন্দির সংলগ্ন লক্ষ্মীপুর চৌধুরী বাড়ির পার্কের উদ্বোধন
পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার লক্ষ্মীপুরে আনন্দময়ী শ্যামাঠাকুরাণী মন্দির সংলগ্ন চৌধুরী বাড়ির পার্কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কিছু বিশেষ মুহূর্ত।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের DGP (Law & Order) অজয় মুকুন্দ রানাডে। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন SP পাপিয়া সুলতানা, ঘাটালের SDPO সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য এবং চন্দ্রকোনা থানার পুলিশকর্মীরা।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা থানার অন্তর্গত লক্ষ্মীপুর গ্রামের চৌধুরিবাড়ির শ্রী শ্রী আনন্দময়ী শ্যামা ঠাকুরানীর পুজো এক ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বহন করে। পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, এই ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক পুজোর সূচনা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৫৬২ বছর আগে। এই পরিবারের পূর্বপুরুষ কল্যাণ চৌধুরী এই পুজোর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
স্বপ্নাদেশ ও মূর্তির প্রতিষ্ঠা
এই পুজোর সূত্রপাতের পিছনে এক অলৌকিক জনশ্রুতি জড়িয়ে রয়েছে:
• পুণ্যার্জনের আশায় পূর্বপুরুষ কল্যাণ চৌধুরী পায়ে হেঁটে কাশী গিয়েছিলেন।
• কাশী থেকে ফেরার পথে একটি সরাইখানায় রাত্রিযাপনকালে তিনি দেবী কালীর স্বপ্নাদেশ পান।
• স্বপ্নে দেবী তাঁকে জানান যে, একটি বিশেষ মূর্তির বাম পায়ে কল্যাণ চৌধুরীর নাম লেখা রয়েছে এবং সেই মূর্তিটিই যেন তিনি সাথে করে নিয়ে আসেন।
• এরপর তিনি পুনরায় কাশী ফিরে যান এবং স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী নিজের নাম খোদাই করা কষ্টিপাথরের সেই মূর্তিটি খুঁজে পান।
• অন্যদিকে, স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি বাড়ির সামনের পুকুর থেকেও মা কালীর মাটির ঘট উদ্ধার করেছিলেন বলে জানা যায়।
• উদ্ধার করা সেই ঘট এবং কাশী থেকে আনা কষ্টিপাথরের মূর্তি দিয়েই এই পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
• মায়ের এই কষ্টিপাথরের মূর্তিটি চতুর্ভূজা এবং উচ্চতায় প্রায় দুই ফুট।
• মূর্তির বিশেষ মুদ্রা এবং শান্ত দৃষ্টির কারণে দেবীর নামকরণ করা হয় ‘আনন্দময়ী কালী’।
মন্দির ও সংস্কার
• শুরুর দিকে মাটির মন্দিরে বা আটচালায় এই পুজোর সূচনা করা হয়েছিল।
• পরবর্তী কালে কংক্রিটের তৈরি নাট মন্দির নির্মাণ হয়।
• পরবর্তী কালে ২০১৪ সালে বিশাল উচ্চতার (প্রায় ৮০ ফুট) একটি নতুন সুদৃশ্য মন্দির নির্মিত হয়। যা এখন বর্তমান।
সাবেকিয়ানা ও উৎসবের মেজাজ
• চৌধুরিবাড়ির এই পুজো পারিবারিক হলেও, লক্ষ্মীপুর, বলরামপুর, বগছড়ি, মৌলা সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই পুজোয় আনন্দ উৎসবে সামিল হন।
• সারাবছর ধরে মায়ের নিত্যসেবা ও প্রসাদ নিবেদন করা হয়।
• কালীপুজোর রাতে চার প্রহর ধরে পুজো হয়।
Maha Sasthi (Friday, October 16): The festival opens at 7:00 AM with a vibrant cultural procession featuring tribal dances, stilt walkers, and women playing the dhak, followed by the official inauguration of the newly built Durga temple at 11:00 AM. At 6:00 PM, Ex-Army musician Abhijit Mandal delivers a live saxophone performance.
Maha Saptami 1 (Saturday, October 17): The afternoon features a cultural competition at 2:00 PM, culminating in an 8:00 PM live musical performance by eminent folk artist Parikshit Bala.
Maha Saptami 2 (Sunday, October 18): Highlights include an inter-school quiz competition at 4:00 PM, a “Didi No. 1” event at 6:00 PM, and a theatrical play performed by children at 9:00 PM.
Maha Ashtami (Monday, October 19): Following evening cultural programs, singer Satyajit Das will perform a special musical tribute at 8:00 PM, featuring the timeless classics of Hemanta Mukhopadhyay.
Maha Navami (Tuesday, October 20): Bollywood playback singer Vinod Rathod headlines a live concert at 7:00 PM, accompanied by the BAD GIRL Dance Troupe and anchor MADDY.
Vijaya Dashami (Wednesday, October 21): The festivities close with a grand musical performance by renowned artist Lopamudra Mitra at 6:00 PM.
Step into the divine world of Sri Sri Anandamoyee Shyama Thakurani through our visual gallery. Witness the spiritual beauty of our daily Nitya Puja, the vibrant energy of our community gatherings, and breathtaking moments from our grand Sharadotsav celebrations. Explore these cherished memories and experience the devotion that unites us all.
Anandamoyee Mandir is a sacred centre of religious and cultural heritage associated with Lakshmipur Chowdhury Bari. For generations, various religious ceremonies, worship and cultural programmes have been held here.